বই রিভিউ ০৩ঃ সিক্রেটস অফ জায়োনিজম || সত্য উম্মোচন নাকি ইহুদী বিদ্বেষ
সিক্রেটস-অফ-জায়োনিজমঃ

বই রিভিউ ০৩ঃ সিক্রেটস অফ জায়োনিজম || সত্য উম্মোচন নাকি ইহুদী বিদ্বেষ

সিক্রেটস অফ জায়োনিজম বই রিভিউ

শুরুর কথাঃ
ছোটবেলায় মুরুব্বীদের মুখে দুটো কথা প্রায়ই শুনতাম।
তারা অপছন্দের কিছু পেলেই কথায় কথায় বলতেন ‘এসবই ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র’। পাকিস্তানী ক্রিকেটার ইমরান খান এক ইহুদী কন্যাকে বিয়ে করেছেন। এটা ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্রের ফসল। ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মাদ আজহারুদ্দিন নিজের স্ত্রী নওরীনকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেছেন মডেল ও অভিনেত্রী সঙ্গিতা বিজলানীকে। এটাও ইহুদী নাসারারদের ষড়যন্ত্রের কারণে হয়েছে।
একইভাবে ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত, জর্দানের বাদশাহসহ আরও অনেকের বিয়ের পেছনেই ছিল ইহুদী নাসারাদের কারসাজি। শুধু বিয়েই নয়, ইহুদী নাসারারা আরও নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। আমাদের দেশের সংকৃতি নষ্ট করে দিচ্ছে, মুসলমানে মুসলমানে বিভেদ বিদ্বেষ ঢুকিয়ে দিচ্ছে। তাবলীগ, জামায়াতে ইসলামী, চরমোনাই, পীর আউলিয়া, ওহাবী, সালাফি থেকে নিয়ে হাল আমলের জাকির নায়েক…সবাই ইহুদী নাসারাদেরই সৃষ্টি।
আরও একটা কথা মুরুব্বিদের মুখে খুব কমন। Old is Gold। তারা প্রায় মুখে চুকচুক আওয়াজ তুলে বলেন ‘ আহহহারে! এই যুগের পোলাপাইন কেমন নষ্ট হইয়া গেল। আমাদের সময় সব কিছু কত ভাল ছিল!’ গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস থেকে প্রকাশিত সিক্রেটস অফ জায়োনিজম বইটি পড়তে গিয়ে মুরুব্বীদের সে সব কথা বারেবারে মনে পড়ছিল।
হেনরি ফোর্ড ও ইন্টারন্যাশনাল জিওঃ
গাড়ির খবরাখবর রাখেন কিন্তু ফোর্ড কোম্পানির নাম শুনেন নি, এমন লোক হয়তো খুজেই পাওয়া যাবে না।
ফোর্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ফোর্ড    The DearbornIndependent নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সে পত্রিকায় ইহুদী সম্প্রদায়ের উপরে তিনি অনেকগুলো আর্টিকেল লিখেন। পত্রিকায় প্রকাশিত লিখা হতে বাছাইকৃত ৮০ টি আর্টিকেল নিয়ে প্রকাশিত হয় চার খন্ডের বই The International Jew, the World’s Foremost Problem । সিক্রেটস অফ জায়োনিজম বইটি মূলত হেনরি ফোর্ডের সে বইয়ের নির্বাচিত অংশের অনুবাদ/রুপান্তর।

 

ইহুদীদের ইতিহাসঃ
বই সম্পর্কে বলার আগে ইহুদী জাতির ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দেয়া প্রয়োজন।
ইউসুফ আলাইহিস সালামের পিতা ইয়াকুব আলাইহিস সালামের ছিল ১২ ছেলে। এই বার ছেলের বংশধরদের নিয়ে গঠিত হয় বনি ইসরাঈল জাতি। যাদের আমরা আজ ইহুদী হিসেবে জানি। ইহুদীদের মধ্যে স্বভাবজাত কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল। কুটবুদ্ধি, শয়তানি, কুটচালে ধুরন্ধর ইহুদীদের জুড়ি মেলা ভার। মুসা আলাইহিস সালামের সময়ে তারা অসংখ্যবার আল্লাহ্‌র বিধান অমান্য করেছিল। আল্লাহ্‌র বিধান পালন করতে নানা ফন্দি ফিকির ও শঠতার আশ্রয় নিয়েছিল। এছাড়াও তারা যখন তখন উদ্ভট সব দাবী দাওয়া, অন্যায় আবদার করে মুসা আলাইহিস সালামকে পেরেশান করে তুলত।
তাদের এই দুশ্চরিত্র, শঠতা ও হেয়ালিপনার কারণে তাদের উপরে অসংখ্যবার আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে আজাব এসেছিল। তবুও তাদের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয় নি। আল কুরানে অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ ইহুদীদের এইসব কু-কীর্তির কথা বর্ননা করেছেন। নিজেদের স্বভাব চরিত্রের কারণে তারা বরাবরই অন্যদের কাছে ছিল ঘৃনিত। ব্যবিলনের রাজা নেবুচাদ নেজার থেকে শুরু করে অসংখ্য রাজা বাদশা তাদের উপর নারকীয় নৃশংস নির্যাতন চালিয়েছিল। প্রান বাচাতে তারা দেশ থেকে দেশে ছুটে বেড়িয়েছে। পরিস্থিতির কারণে কখনই তারা কোন এক জায়গায় থিতু হতে পরে নি। ইতিহাসে তারা এক যাযাবর জাতির পরিচয়েই টিকে ছিল।
ইহুদীদের ব্যবসায়িক বুদ্ধি ছিল অসাধারন। পৃথিবীর যেখানেই তারা বসত গড়েছে, অতি অল্প সময়েই তারা সেখানে অর্থ বিত্তে নিজেদের অবস্থান গড়ে নিয়েছে। এছাড়াও মেধা-যোগ্যতায় কিছু ক্ষেত্রে তারা ছিল অনন্য। যাযাবরের মত ঘুরে বেড়ানোর কারণে তাদের মধ্যে সুন্দর মানবীয় সত্বার বিকাশ লাভের সুযোগ হয়েছে কম। এছাড়াও ব্যবসায়িক বুদ্ধি ও কুটচালের সমন্বয়ে তারা অল্প সময়েই যে কোন জায়গায় একেবারে গেড়ে বসতো। তাদের সাথে ব্যবসায়িক বুদ্ধিতে অন্যরা সহজে পেরে উঠতো না। এসব কারণে স্থানীয় মানুষেরা ইহুদীদের ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখত।

উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে সারা ইউরোপ জুড়ে ইহুদী বিদ্বেষের ঢেউ বয়ে যায়। The International Jew, the World’s Foremost Problem বইটি সে সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা।

বিষয়বস্তুঃ
আগেই বলেছি, ইহুদীদের ব্যবসায়িক বুদ্ধির সাথে পাল্লা দেয়ার সক্ষমতা অন্য কারও ছিল না। নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন, সৃজনশীল বিপনন কৌশল, সমাজের উঁচু শ্রেনীর সাথে সখ্যতা ইত্যাদি কারণে তারা খুব সহজেই যে কোন স্থানে নিজেদের অবস্থান গড়ে নিত।
ইহুদীদের একটা শ্রেণী নিজেদের ব্যবসায়িক বুদ্ধি খাটিয়ে খুব অল্প সময়ে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছিল। তাদের হাতে ছিল কাচা টাকা। রাষ্ট্রের কর্তা ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রয়োজনে তাদের কাছে হাত পাততো। ইহুদীরাও একে কাজে লাগাতো। টাকার জোরে সমাজের বিভিন্ন স্তরে সম্পদশালী ইহুদীরা প্রভাব খাটাত। শিল্প, সাহিত্য, অর্থনীতি, ব্যাংক, বীমা কোন অংশই ইহুদীদের প্রভাব মুক্ত ছিল না। হেনরি ফোর্ড তার বইয়ে ইহুদীদের এই প্রভাবের কথা সবিস্তারে তুলে এনেছেন। বইয়ে উঠে এসেছে, কিভাবে ইহুদীদের হাত ধরে আধুনিক ব্যংক ব্যবস্থার উদ্ভব হল কিভাবে তারা বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে চেকের সুচনা করল।
আজ আমরা টিভি খুললেই বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। পণ্যের বিপননে বিজ্ঞাপনের ব্যবহার, তারকাদের স্টার খ্যাতি কাজে লাগানোড় আইডিয়াও প্রথম ইহুদীদের মাথা থেকে বেরোয়। গানের জগতে দেশে দেশে ফোক সংগীতের প্রচলন ছিল। ধীরে ধীরে র‍্যাপ, জ্যাজ, মেটাল, হেভি মেটাল, ব্যান্ড সংগীত তার জায়গা দখল করে নেয়। বইয়ে আছে তার বিস্তারিত বিবরণ। এছাড়াও হাল আমলের ‘রিমিক্স’ গানের উত্থান কি করে হল, আছে তারও বর্ননা। আধুনিক সময়ে সিনেমা মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু এক সময় থিয়েটারই ছিল মানুষের বিনোদনের মাধ্যম। কি করে থিয়েটার শিল্প থেকে সিনেমা জগতের উত্থান ঘটল আছে তারও আনুপুংখ বিবরন।

পাঠ পর্যালোচনাঃ

ক. পৃথিবীতে সর্বাধিক জনপ্রিয় তত্বের একটি হল ‘কনস্পিরেসি থিওরি’ (ষড়যন্ত্র তত্ব)। এই তত্বের প্রবক্তারা সব কিছুর পেছনে ষড়যন্ত্র খুঁজে পান। তারা কথায় কথায় মন্তব্য করেন ‘এসবই ষড়যন্ত্র’। মানুষের চন্দ্র অভিযান, মাইকেল জ্যাকসন কিংবা বাংলাদেশের সালমান শাহ সহ বিখ্যাত সব মানুষের মৃত্যু থেকে নিয়ে হাল আমলে‘করোনা ভইিরাস’…সব কিছু নিয়েই অসংখ্য কন্সপিরেসি থিওরি আছে।অনেক মানুষই সত্যের চাইতে এইসব থিওরিতেই বেশি বিশ্বাস করেন। যথাযথ তথ্য, যুক্তি-তর্ক দিয়ে এইসব থিওরির যথার্থতা নিয়ে মাথা ঘামান কম।

খ. সিক্রেটস অফ জায়োনিজ (The International Jew, the World’s Foremost Problem) বইটি মূলত তীব্র ইহুদী বিদ্বেষ আর ষড়যন্ত্র তত্বের এক মোক্ষম জগাখিচুড়ি।
হেনরি ফোর্ড তার বইয়ে গোটা আলোচনাই সাজিয়েছেন The Protocols of the Elders of Zion এর উপর ভিত্তি করে। তার ভষ্যমতে, ইহুদী নেতারা নিজেদের এক গোপন বৈঠকে এই প্রটোকল তৈরি করেন। প্রটোকল অনুযায়ী ইহুদীরা গোটা বিশ্ব নিজেদের কবজায় নেয়ার এক সুগভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা ইচ্ছে করেই জ্যান্টাইল (অ-ইহুদী) সম্প্রদায়ের নাটক সিনেমা, শিল্প কারখানা ধ্বংসের পায়তারা করছে। এছাড়াও অত্যন্ত সুকৌশলে নানা মতবাদের মাধ্যমে মানব সমাজকে বিভক্ত করে চলেছে।
গ.    এই প্রটোকল সর্বপ্রথম রুশ ভাষায় প্রকাশ পায়। এরপর জার্মান, ফ্রেঞ্চ সহ বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়।
২য় বিশ্বযুদ্ধ কালীন হলোকষ্টের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে জার্মান নাজি বাহিনী এই প্রটোকলের বহুল প্রচারনা চালায়।
তথাকথিত এই প্রটোকলটি দারুনভাবে বিতর্কিত। কখন কিভাবে কাদের মাধ্যমে এই প্রটোকলটি রচিত হয় আর কি করেই বা ‘এই গোপন প্রটোকল’ প্রকাশ পেল, এই তথ্য অজানা। কেউ জানে না এর তথ্যসুত্রই বা কি।
সমালোচকদের মতে, এই প্রটোকলটি আগ গোড়াই জালিয়াতি করা হয়েছে। ১৮৬৪ সালে সাহিত্যিক Maurice Joly লিখিত The Dialogue in Hell Between Machiavelli and Montesquieu বইটি প্রকাশিত হয়। যাতে তিনি মন্টেস্কু (আইনের শাসনের প্রবক্তা) ও ম্যাকিয়াভেলির (নৈরাজ্যবাদী) মধ্যে কাল্পনিক আলাপচারিতা তুলে ধরেছেন।বলা হয়ে থাকে, এই প্রটোকলের বিরাট অংশ সেই বই থেকে চুরি করা।
মনোযোগ দিয়ে প্রটোকলটি পড়তে গেলেও এর অনেক ফাক ফোকর ধরা পড়ে।
যেমন বইয়ে আছে
‘জ্যান্টাইলরা কখনই আমাদের ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে পারবে না’ (পৃষ্ঠাঃ৫৫)
‘স্বাধীনতা, সাম্য, ভাতৃত্ব ইত্যাদি মতবাদকে আমরা প্রাচীন কাল থেকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছি। কিন্তু পৃথিবীর বোকা গর্দভ বুদ্ধিজিবীরা…আমাদের পাতা ফাদে পা দিয়েছে…তারা বুঝতে পারে নি, সাম্য স্বাধীনতা বলে কিছু নেই (পৃষ্ঠাঃ ৫৭)’
ভেবে দেখুন, পৃথিবীর কোন সম্মেলনের কার্যবিবরনী কখনও এই ভাষায় লিখা হয়? এমন ভাষায় কেউ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে?
এছাড়াও গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, পুজিবাদ সহ সব মতবাদকে কোন তথ্য প্রমান ছাড়া যেভাবে ইহুদী ষড়যন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা রীতিমত বালখিল্যজনক, হাস্যকর। সচেতন যে কোন মানুষই এই প্রটোকলের বিশ্বাযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। প্রটোকলের ভাব ও ভাষা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করবেন।
ঘ. বইয়ের পাতায় পাতায় তীব্র ইহুদী বিদ্বেষ লক্ষ্য করা যায়। বই পড়লে মনে হবে, জ্যান্টাইলরা (অ-ইহুদী সম্প্রদায়) সব নেহায়েত দুগ্ধ পোষ্য শিশু। তাদের কোন পাপ নেই। তারা নিতান্তই ভাল মানুষ। ইহুদীরাই যত নষ্টের গোঁড়া। সমাজের যত অন্যায়, অনাচার, পাপ… সব ইহুদীদের সৃষ্টি। তাদের মধ্যে ভাল কোন গুণের অস্তিত্বই নেই।
‘অবাক না হয়ে পারা যায় না- যেদিকে তাকাই, সেদিকেই ইহুদী সংগীতের দল। অথচ তারা আদৌ সংগীতের ব্যাকরন বুঝে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে’ (পৃষ্ঠাঃ ১৫২)
‘আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক কিছুই ইহুদীরা আবিষ্ককার করেছে, কিন্তু তার অধিকাংশই মানব সভ্যতার কোন উপকারে আসে নি’ (পৃষ্ঠ্যাঃ ১৪৭)

‘জ্যান্টাইলরা সাধারনত ষড়যন্ত্রসুলভ মানসিকতা নিয়ে জন্মায় না। সাধারন মানুষ পরিকল্পনা করে কিভাবেে একটি উদ্দেশ্য হাসিল করা যায়, কিন্তু ইহুদীরা পরিকল্পনা করে কিভাবে চার পাচটি উদ্দেশ্য একত্রে হাসিল করা যায়।, (পৃষ্ঠাঃ ৬৬-৬৭)

ঙ. প্রতিটা সমাজই নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। মানুষের চিন্তা ভাবনা, আচার আচরন, রুচি অভিরুচিতে পরিবর্তন আসে। কিন্তু প্রবীন প্রজন্ম সেই পরিবর্তনকে মেনে নিতে পারেন না। হেনরি ফোর্ডও পারেন নি। তাই তিনি বারবার বলার চেষ্টা করেছেন, তাদের আমলের সব কিছু অনেক ভাল ছিল। এমন কি তার আমলের শ্যাম্পেনও ছিল গুনে মানে অনন্য। কিন্তু এখন যা হচ্ছে সবই বাজে, বিচ্ছিরি, যাচ্ছে-তাই। সবই ইহুদীদের ষড়যন্ত্র। যেভাবে সকল পরিবর্তনের পেছনে তিনি ইহুদী গন্ধ খুঁজে পেয়েছেন, তা কৌতুকের উদ্রেক করে।

মনে হচ্ছিল, এক প্রবীন মানুষ নবীন প্রজন্মের সব কিছুকে দু হাতে দূরে ঠেলে চেচিয়ে যাচ্ছেন ‘ বাজে! সব বাজে!’ ‘old is gold’

সিক্রেটস অফ জায়োনিজমের অনুবাদ নিয়ে দু কথা না বললেই নয়। বইটির অনুবাদ বেশ ভাল হয়েছে। প্রাঞ্জল, গতিশীল, সরল গদ্যে লেখা বইটি পড়তে একটুও একঘেয়ে লাগবে না। মনেই হয় নি, এটি অনুবাদকের প্রথম বই। অনুবাদকের প্রতি অপরিসীম কৃতজ্ঞতা।
মোটের উপর সিক্রেটস অফ জায়োনিজম অত্যন্ত ইন্টারেস্টিং একটি বই।

আপনি যদি ষড়যন্ত্র তত্বের দারুন ভক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে এই বই আপনার জন্য অবশ্যই পাঠ্য। আর যদি আপনি খোলা মনের পাঠক হয়ে থাকেন, তবুও এই বই আপনার চিন্তা জগতে দারুন ছাপ ফেলবে, এ কথা সন্দেহাতীতভাবেই বলা যায়।

 255 total views,  3 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *